1. admin@aparadhatallasi.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাপাসিয়ায় পাট চাষীদের প্রশিক্ষণ অভয়নগরে পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে ভূয়া সনদে চাকরি করার অভিযোগ রংপুরে দুলা ভাইয়ের হাতে শ্যালক খুন নীলফামারীতে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ভালুকায় ভরাডোবা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তেলিহাটি ইউনিয়নে রাস্তার শুভ উদ্বোধন করেন গনশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী টুসি এমপি কাপাসিয়া রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত কাপাসিয়ায় মাসিক যৌথ সভা ও ই-প্রশিক্ষণ কোর্স অনুষ্ঠিত স্কুল ঝড়েপড়া শিক্ষার্থীদের আটকাতে হবে “প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রুমানা আলী টুসি “ কাপাসিয়ার মেয়ে সাইয়ারা কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয়

বৃদ্ধ অসহায় দম্পতির রাত কাটছে অন্যের বারান্দায়

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৮৭ বার পঠিত

মোকাররম হোসেন, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ভেঙে পড়েছে মাটির ঘরের দেয়াল। অর্থের অভাবে মেরামত করতে পারছেন না বসবাসের একমাত্র ঘরটি। ছেলে মেয়ে না থাকায় অন্যের বারান্দায় রাত কাটাচ্ছেন এক অসহায় বৃদ্ধ দম্পতি।

উপজেলার শিবনগর ইউপির দক্ষিণ বাসুদেবপুর পুরাতন বন্দর এলাকার সুনির্মল চন্দ্র সামন্ত (৭৫) ও রিনা রানী সামন্তের (৬০) বসবাসের একমাত্র মাটির ঘরের দেয়াল গত ২৫ সেপ্টেম্বর ধ্বসে পড়ে গেছে। অন্যপাশের দেয়ালের অবস্থাও নড়বড়ে। যে কোন সময় পড়ে যেতে পারে। তাই জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়ে ছোট ভাই সুমল চন্দ্রের বারান্দায় রাত কাটাচ্ছেন সুনির্মল সামন্ত। অর্থের অভাবে নতুন ঘর তৈরি বা মেরামত করতে পারছেন না। ছেলে মেয়ে না থাকায় এবং বয়সের ভারে জীর্ণশীর্ন সুনির্মলের নিজে পরিশ্রম করে মাটির ঘর তৈরি করার সামর্থ্যও নেই। এক রকম অসহায় হয়েই অন্যের বারান্দায় রাত কাটাচ্ছেন এ দম্পতি।

সরেজমিনে বৃদ্ধ সুনির্মলের বাড়িতে দেখা যায়, মাটির একমাত্র ঘরটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। পড়ে যাওয়া দেয়ালটি এর আগেও কয়েকবার মেরামত করা হয়ে ছিলো। ঘরে আসবাবপত্র বলতে একটি খাট ছাড়া আর কিছুই নেই। কাপর চোপর রেখেছেন অন্যের বারান্দায়। পেশা হিসেবে বাঁশ বেত কুটির শিল্পের কাজ করলেও বয়সের ভারে এখন তাও ঠিকমত করতে পারেন না। কোন রকম খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে তাদের।

বৃদ্ধ সুনির্মল চন্দ্র সামন্ত বলেন, তিনটা বেটির(মেয়ের) বিয়া হয়া গেইছে অনেক আগে। কোন ব্যাটা(ছেলে) ছোল(সন্তান) নাই। ভারী বিষ্টিত দেওয়ালটা ভাঙ্গি পড়ল। টিন দিয়াও জল পড়ে। ঠিক করিম টাকা নাই। গাওত (শরীরে) জোর পাওনা যে নিজে ঠিক করিম। হামার(আমাদের) ধরার(সুপারিশ করার) মতন কেউ নাই বাবা। ঘরটা কেউ ঠিক করি দিলে খুব উপকার হল হয়।

বৃদ্ধা রিনা রানী সামন্ত বলেন, মানষের(মানুষের) চালিতে (বারান্দায়) দু এক দিন থাকা যায়। এই ঘর ঠিক করার ক্ষমতা হামার নাই বাবা। কত দিন এই ভাবে মানষের চালিত থাকবা হবে কে জানে!

কারো কাছে হাত না পাতলেও এখন বাধ্য হয়ে সমাজের বিত্তবান, জনপ্রতিনিধিসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সহায়তা কামনা করছেন এ অসহায় দম্পতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ দৈনিক অপরাধ তল্লাশি

Theme Customized By Shakil IT Park