1. admin@aparadhatallasi.com : admin :
রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন

আশুলিয়ায় রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে নারায়নের অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১১৭ বার পঠিত

মো.মাইনুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডের বারবার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ইউপি সদস্য মো. রুহুল আমিন মন্ডল একজন জনপ্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা ও আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এবং আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ইউপি মেম্বার কল্যান এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তার নিজ এলাকা পাড়াগ্রাম অর্থাৎ ৮ নং ওয়ার্ড তথা পুরো আশুলিয়া সাভার সর্বোত্র তার রয়েছে জনপ্রিয়তা।এরকম একজন জনপ্রিয় স্বনামধন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে জমি দখল ও মারধরের এমনই অভিযোগ করেছেন,

 

নারায়ন মন্ডল পিতা মৃত কেষ্ট মন্ডল গ্রাম দেউন, বিরুলিয়া সাভার ঢাকা। নারায়ণ মন্ডল তার অভিযোগে বলেন, আমাদের হিন্দুদের মধ্যে মায়ের সম্পত্তি মেয়েরা ওয়ারিশ হয়ে থাকেন। আমার নানী মারা যাওয়ার পরে আমার মা শোভারানী ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হওয়ার কথা। আমার মামারা আমার মা শোভারানীকে তার ওয়ারিশ বুঝাইয়া না দিয়ে উল্টো আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার রুহুল আমিন মন্ডলকে নিয়ে আমাদের মারধর করে বাড়িঘর ভেঙ্গে দিয়ে পুরো জমি তাদের দখলে নিয়ে যায়। নারায়ণ মন্ডলের এরকম অভিযোগের ভিত্তিতে আমাদের এ প্রতিনিধি নারায়ণ মন্ডলকে প্রশ্ন করেন, এতে রুহুল আমিন মন্ডলের স্বার্থ কি?এ প্রশ্নের উত্তরে নারায়ন মন্ডল বলেন, রুহুল আমিন মন্ডলের অবশ্যই স্বার্থ আছে তা না হলে আমার মামাদের টাকা পয়সা দিয়ে সহযোগিতা করছেন কেন? এবং আমরা মামাদের নামে যে মামলা দিয়েছি সেই মামলার খরচ চালাচ্ছে এবং প্রকাশ্যে তাদের মদদ দিচ্ছেন। এতে রুহুল আমিন মন্ডলের লাভ কি? জবাবে তিনি বলেন, নিশ্চয়ই রুহুল আমিন মন্ডলের লাভ আছে আমার মামাদের সাথে একত্রিত হয়ে আমাদেরকে উচ্ছেদ করে বাড়িঘর ভেঙ্গে দিয়েছে এবং জমিটা তাদের দখলে নিতে পারলে নিশ্চয় রুহুল আমিন মন্ডলের লাভ আছে বিধায় সে আমাদেরকে মারধর করেছেন। আমরা সাভার মডেল থানায় মামলাও করেছি এখনো মামলা চলমান অবস্থায় আছে। তাতে কি রুহুল আমিন মন্ডল দোষী সাব্যস্ত হয়েছে? জবাবে নারায়ণ মন্ডল বলেন, পুলিশ এসেছিল তদন্ত হয়েছিল কিন্তু পুলিশকে মোটা অংকের টাকা দিয়েছেন তাই তার নাম চার্জশিট থেকে বাদ দিয়েছেন। আমাদের তথ্য অনুযায়ী নারায়ণ মন্ডলের কথার সাথে ও আমাদের কাছে যে সমস্ত কাগজ পত্র দিয়েছেন তার সাথে কোন প্রকার মিল পাওয়া যায়নি। নারায়ণ মন্ডলের কথা এলোমেলো ও অবান্তর বলে মনে হলো। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নারায়ণ মন্ডল একজন মানসিক রোগী হয়ে গিয়েছে তা না হলে দেউনের জায়গা নিয়ে ওর মামাদের সঙ্গে যে ঝামেলা করছেন নারায়ন মন্ডল সে জমির ওয়ারিশ না, শুধুই ঝামেলা করছেন। ওয়ারিশ হলো নারায়ণ মন্ডলের মামারা। এই সম্পত্তি নিয়ে নারায়ণ মন্ডল এবং তার ভাই বহুদিন ধরে ঝামেলা করছে এবং তাদেরকে মারধর করে বাড়িঘর ভেঙ্গে দিয়েছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও তৎকালীন বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ভূমি অফিসের কর্মকর্তাগণ এদেরকে নিয়ে বহুবার কাগজ পত্র দেখে সবাই বলে দিয়েছেন নারায়ণ মন্ডল এবং তার দুই ভাই এই জায়গায় মালিক না।

 

নারায়ণ মন্ডল সকলের সামনে মেনে নিয়ে আপোসে তাদের বাড়িঘর স্বেচ্ছায় সরিয়ে নিয়েছে এবং তার মামারা বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিতে নারায়ণ মন্ডলের তিন ভাইকে পাঁচ লক্ষ টাকাও দিয়েছেন। প্রথমে তারা টাকা নেননি, পরবর্তী সময় অন্যের মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকা সাক্ষীদের সম্মুখে নিয়েছেন। এলাকাবাসী আরো বলেন, আমরা তো এখানে ঝামেলা দেখছি না। নারায়ণ মন্ডল আসলে একটা মানসিক রোগী হয়ে গিয়েছে কারণ নারায়ণের নানী মন খুশি সরকার তার ওরসজাত ছেলেদেরকে তিনি জীবিত থাকাকালীন অবস্থায় রেজিস্ট্রি দলিল করে দিয়ে গেছেন। আর রুহুল আমিন মন্ডলের সম্পর্কে যে অভিযোগ দিয়েছে তা সম্পূর্ণই মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট।তবে রুহুল আমিন মন্ডলের প্রতি রাগ হলো সে নারায়ণের মামাদের কাছ থেকে কেন বায়না চুক্তিনামা রেজিস্ট্রি দলিল করলো, এ টুকুই তার দোষ। রুহুল আমিন মন্ডলের বিরুদ্ধে এরকম আজ পর্যন্ত কোন প্রকার এ ধরনের কার্যকলাপের কথা আমরা শুনি নাই। তিনি শুধু আশুলিয়া পাড়াগ্রাম কেন যেকোন মানুষের উপকারের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এলাকার উন্নয়ন রাস্তাঘাট আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি সাহায্য সহযোগিতা ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম এবং জনসাধারণের সুবিধার্থে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এমনকি কোন মানুষ বিপদে-আপদে পড়লে রুহুল আমিন মন্ডল তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মানুষকে সহযোগিতা করে থাকেন। এলাকা বাসি আরো বলেন, রুহুল আমিন মন্ডল যদি জনগণের জন্য কাজ না করতো তবে মানুষ এত বোকা না, যে তাকে বারবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন। নিশ্চয় এলাকাবাসী এবং জনসাধারণের জন্য কাজ করেন আমরা এলাকাবাসী পরবর্তীতেও রুহুল আমিন মন্ডলকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করব ইনশাআল্লাহ। সচেতন ব্যক্তিদের এবং সর্বসাধারণের কথা হলো একজন ব্যক্তি যখন তার নিজের জায়গা বিক্রি করতে চায় তখন তো যে কেউ কিনতে পারেন। তাতে রুহুল আমিন মন্ডলের আমরা কোন দোষ দেখছিনা। সে একজন ক্রেতা হিসেবে প্রকৃত জমির মালিকদের ও ওয়ারিশগণের কাছ থেকেই বায়না চুক্তিনামা রেজিস্ট্রি দলিল করেছেন। আর নারায়ণ মন্ডলের যে অভিযোগ তা সম্পূর্ণটাই মিথ্যা ভিত্তিহীন। নারায়ণ মন্ডল এই প্রতিবেদককে রেজিস্টার বায়না চুক্তিনামা দলিলের কথা প্রথমে অস্বীকার করেন এবং কাগজ দেখালে তখন তিনি সবকিছু স্বীকার করে নেন। এলাকাবাসী বলেন, বিগত ২০২০ সালের ঘটনা এখনো আমাদের মেম্বার রুহুল আমিন মন্ডলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সাংবাদিক ও নানা ধরনের ব্যক্তির কাছে বিভিন্ন সময়ে দীর্ঘদিন যাবত নানা ধরনের অশ্লীল মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন কথাবার্তা বলে আসছে এবং আমরা এলাকাবাসী এর প্রতিকার চাই। নারায়ণ মন্ডলের অভিযোগের বিষয়টি রুহুল আমিন মন্ডলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা নারায়ন মন্ডলের কাছে যা শুনেছেন তা তো গত তিন বছর আগের ঘটনা ২০২০ সালের আমার বিরুদ্ধে সে যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন।

 

আমার ব্যাপারে যা বলেছে আমাকে সমাজের কাছে এবং আমার পরিবারকে ও রাজনৈতিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই নারায়ণ মন্ডল এই সমস্ত আজব কথাবার্তা বলছেন। আপনারা আমাদের এলাকায় খোঁজখবর নিয়ে দেখেন মানুষ আমার ব্যাপারে কি বলেন। রুহুল আমিন মন্ডল আরো বলেন, আমার দোষ একটাই নারায়ণ মন্ডলের মামাদের কাছ থেকে অর্থাৎ মন খুশি সরকারের ছেলেদের কাছ থেকে,প্রকৃত ওয়ারিশগনের কাছ থেকে বায়না চুক্তিনামা রেজিস্টার্ড করি যাহার দলিল নং – ৯৬১৩/২০২০ ইং আমি দলিল গ্রহিতা মো.রুহুল আমিন মন্ডল পিতা মো. নায়েব আলী মন্ডল সাং- পাড়া গ্রাম ডাকঘর ও থানা আশুলিয়া জেলা ঢাকা। এবং দলিল দাতাদের নাম ও ঠিকানা ১ নং দলিলদাতা জগদীশ সরকার ওরফে জগদীশ চন্দ্র মন্ডল, ২ নং দলিলদাতা গোলক সরকার ওরফে গোলক চাঁন মন্ডল উভয় পিতা মাতা মৃত জয় হরি মণ্ডল ও মন খুশি সরকার। সর্ব সাং- দেউন,ডাকঘর বিরুলিয়া থানা সাভার জেলা ঢাকা। দলিল দাতাদের ওয়ারিশ সনদ নং -২০২০২৬১৭২৩৩০০১৮৪৯ বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সাভার,জেলা ঢাকা। রুহুল আমিন মন্ডল আরো বলেন, আমি ক্রেতা হিসেবে জমির বায়না চুক্তি রেজিস্টার করি এবং প্রকৃত জমির ওয়ারিশগণের কাছ থেকেই জমি নিয়েছি। নারায়ণ মন্ডল এখানে জমির মালিক না।

 

আমি ক্রেতা তাই কাগজপত্র দেখে শুনে পর্যালোচনা করেই জমি নিয়েছি। নারায়ণ মন্ডলের সাথে আমার কোন লেনদেন নাই অতএব নারায়ণ মন্ডলের সাথে আমার করা বায়না চুক্তি এবং জমির ব্যাপারে কোন ঝামেলা নাই। নারায়ণ মন্ডল উল্টো আমার নামে বাড়িঘর ভেঙ্গে দেওয়া,উচ্ছেদ ও মারধর করার ব্যাপারে সাভার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন, তৎকালীন সময়ে সরজমিনে পুলিশি তদন্ত আসে এবং আমি পুলিশি তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হই। পুলিশ উক্ত ঘটনার সাথে আমার কোথাও কোন সম্পৃক্ততা পায়নি। ওদেরকে কেউ উচ্ছেদ এবং বাড়িঘর ভাঙচুর মারধরের কোন প্রকারের ঘটনাই ঘটে নাই। ওদের মামাদের সঙ্গে জায়গা নিয়ে বহুদিন যাবত ঝামেলা করে আসছেন নারায়ণ মন্ডল। এ নিয়ে বহুবার বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যান এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সাভার ভূমি সার্কেল অফিস থেকে লোক এসে ঘটনা স্থলে বসে উভয়ের কাগজ পত্র দেখে সকলের উপস্থিতিতে জনসম্মুখে নারায়ণ মন্ডলের তিন ভাইকে বলে দিয়েছেন তোমরা এখানে কোন জায়গা পাবেনা। বাড়িঘর ভেঙ্গে অন্যত্র চলে যেতে বলেন এবং নারায়ণ মন্ডল এই বিচার মেনে নিয়ে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে বাড়িঘর ভেঙ্গে নিয়ে অন্যত্র চলে যান। পরবর্তী সময়ে ওর মামারা জনৈক মহসিন সাহেব নামের এক ব্যক্তির কাছে জমিটা বিক্রি করে দেন। ও আমার রেজিস্টারকৃত বায়না চুক্তিনামার সম্পূর্ণ টাকা আমাকে ফেরত দেন। এ বিষয়ে আমার কোন অভিযোগ নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ দৈনিক অপরাধ তল্লাশি

Theme Customized By Shakil IT Park